📢 নোটিশ:

বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে আগামী ১৫ মার্চ ২০২৬ হতে বার্ষিক পরীক্ষা ২০২৬ শুরু হবে।

একাডেমিকস

শান্তি মিশন ক্যাডেট একাডেমিতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লে গ্রুপ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতিটি শ্রেণির জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রমের সঙ্গে ক্যাডেট শিক্ষার উপাদান সংযোজিত করা হয়। শিক্ষার্থীরা বিষয়ভিত্তিক ধারণা, সমস্যা সমাধান দক্ষতা এবং সৃজনশীল চিন্তাভাবনায় পারদর্শী হয়। কার্যক্রমের মধ্যে একাডেমিক ক্লাস, প্রজেক্ট ও হ্যান্ডস-অন লার্নিং অন্তর্ভুক্ত, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী সমন্বিতভাবে বিকশিত হয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও ক্যাডেট শৃঙ্খলার সমন্বয়ে গড়ে উঠছে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের ভিত্তি।

ক্লাস টাইমটেবিল

শান্তি মিশন ক্যাডেট একাডেমিতে প্রতিদিনের ক্লাস টাইমটেবিল শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল জীবনধারা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করে। প্রতিটি দিন শুরু হয় সকাল সমাবেশ দিয়ে, যেখানে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা বিষয়ক ছোট বক্তব্য বা অনুশীলন হয়। এরপর একাডেমিক ক্লাস শুরু হয়, যেখানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষাদান এবং হ্যান্ডস-অন প্রজেক্ট অন্তর্ভুক্ত। দিনের মাঝামাঝি সময় মাল্টিমিডিয়া সেশন থাকে, যাতে ভিডিও লেসন, ইন্টার‍্যাকটিভ লার্নিং এবং ডিজিটাল টুলসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কার্যকরভাবে ধারণা আয়ত্ত করে। বিকেলে খেলাধুলা, সৃজনশীল কার্যক্রম এবং ক্লাব একটিভিটি অনুষ্ঠিত হয়। দিনশেষে হোমওয়ার্ক, রিভিশন ও আত্মমূল্যায়ন সময় থাকে। এই সুশৃঙ্খল রুটিন শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল, সময়ানুবর্তী এবং আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করে।

মাল্টিমিডিয়া টুলস

শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আনন্দদায়ক করতে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করা হয়। স্মার্ট বোর্ড, ভিডিও লেসন, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ইন্টার‍্যাকটিভ সেশন শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা উন্নত করে।

স্মার্ট বোর্ড ব্যবহার

আধুনিক স্মার্ট বোর্ডের মাধ্যমে পাঠদান আরও সহজ, দৃশ্যমান ও বোধগম্য করা হয়।

ভিডিও লেসন সাপোর্ট

অ্যানিমেশন ও বাস্তব উদাহরণভিত্তিক ভিডিও লেসনের মাধ্যমে বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়।

ডিজিটাল কনটেন্ট অন্তর্ভুক্তি

ই-বুক, প্রেজেন্টেশন ও অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করে শেখার পরিধি বাড়ানো হয়।

ইন্টার‍্যাকটিভ লার্নিং সেশন

প্রশ্ন–উত্তর, আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় রাখা হয়।

হ্যান্ডস-অন প্র্যাকটিস

ব্যবহারিক কাজ ও প্রজেক্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে।

শিক্ষার্থীবান্ধব শেখার পদ্ধতি

শিক্ষার্থীদের বয়স ও মানসিকতা অনুযায়ী সহজ, আনন্দদায়ক ও ফলপ্রসূ শিক্ষাদান নিশ্চিত করা হয়।

শিক্ষাদানের পদ্ধতি

স্টুডেন্ট-সেন্ট্রিক লার্নিং এবং নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়। অভিভাবক ফিডব্যাক এবং হোমওয়ার্ক মনিটরিং নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশ।