একাডেমিক কার্যক্রম
কারিকুলাম ও শিক্ষাদান পদ্ধতি
আমরা বিশ্বখ্যাত মন্টেসরি(Montessori) এবং প্লে-বেসড( Play-Based) পদ্ধতির সমন্বয়ে পাঠদান করি/পড়াই। আমাদের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলোঃ
মুখস্থ নয় , বুঝে শেখা
কোন বিষয় না বুঝে শুধু মুখস্থ করার পরিবর্তে বুঝে তা শেখা যাতে তা টেইসই হয়।
যোগাযোগ দক্ষতা
বাংলা, ইংরেজীতে সাবলীল ভাবে এবং আরবীতে সাধারন ভাবে কথা বার্তা বলা এবং শব্দ ভান্ডার বৃদ্ধি।
প্রারম্ভিক গণিত
মজার মাধ্যমে সংখ্যার ধারণা
নৈতিকতা
সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা এবং শৃংখলা ও পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ
মননশীলতা
চিন্তা, বিশ্লেষণ ও জ্ঞান অন্বেষণের অভ্যাস গড়ে তোলা।
সৃজনশীলতা
কল্পনা,উদ্ভাবন ও সৃজনশীল প্রকাশের বিকাশ( আর্ট, ক্রাফট, আবৃত্তি, গান ইত্যাদি)
বিশ্ব পরিচিতি ও বিজ্ঞান
ছোট ছোট প্রজেক্ট ও প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষা
নেতৃত্ব ও আত্মবিশ্বাস
দলগত কার্যক্রম, উপস্থাপনা এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলি, আত্মবিশ্বাস ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তোলা।
সহ পাঠ্য ক্রমিক কার্যক্রম
Survival of the fittest- যোগ্যরাই টিকে থাকে। কথাটি ধ্রুব সত্য। যোগ্যতাই শেষ পর্যন্ত এনে দেয় সফলতা। তুমুল প্রতিযোগিতার এই যুগে একটি বিষয় নিয়ে পড়ে থাকলে চলে না। সমাবেশ ঘটাতে হয় একের ভিতর বহু গুণের। তাই শুধু পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই যথেষ্ট নয়। এই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা
বইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি আমরা শিশুর সার্বিক শিক্ষার গুরুত্ব দেইঃ
- নিয়মিত শিক্ষামূলক ভিডিও প্রদর্শন
- সাঁতার শিখার ব্যবস্থা
- কাদামাটি ও কাগজ দিয়ে বিভিন্ন মডেলিং
- শারীরিক কসরত/ শরীর চর্চা এবং আত্নরক্ষার কৌশল/ মার্শাল আর্ট
- অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা, মহামারী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিরাপদ থাকার কৌশল
- স্টুডেন্ট ক্লাব
- ফিল্ড ট্রিপ/ শিক্ষা সফর
- বার্ষিক স্পোর্টস ডে, ভিজিট এবং কালচারাল প্রোগ্রাম
সুযোগ- সুবিধাও নিরাপত্তা
নিজস্ব পরিবহন সার্ভিস
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যানবাহনে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা।
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি
অভিজ্ঞ চিকিৎসক, শিশু মনোবিজ্ঞানী ও পুষ্টিবিদ দ্বারা নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিক্ষা ও পরামর্শ দান।
আবাসিক ব্যবস্থা
স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা।
সৃজনশীল শিক্ষার্থী মঞ্চ
সৃজনশীল ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত হয় SQC। উন্নত বিশ্বে এ প্রক্রিয়া অনেক আগে শুরু হলেও বাংলাদেশে তা একেবারেই নতুন। ছাত্র-ছাত্রীদের বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের লক্ষ্যে একাধিক সার্কেল ব্রেইনস্টর্মিং করে অত্র প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তার কারণ নির্ণয় ও সমাধানের উপায় খুঁজে বের করে থাকে। সার্কেলের অধীনে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অংশগ্রহণ করে যাতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারে তার জন্য প্রস্তুত করা।
ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা
শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীর চারিত্রিক ও নৈতিক দৃঢ়তা আনয়নে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। 'সুস্থ দেহে সুস্থ মন' সৃষ্টির জন্যে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব ধর্মের জ্ঞানদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
অভিভাবক দিবস ও শিক্ষক-অভিভাবক মতবিনিময় সভা
শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে শিক্ষক ও অভিভাবকের যৌথ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই আমাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত মাসিক অভিভাবক সমন্বয় সভা এবং বার্ষিক অভিভাবক দিবস আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে অভিভাবকরা শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মতামত, পরামর্শ ও গঠনমূলক সমালোচনা সরাসরি তুলে ধরতে পারেন। প্রাপ্ত পরামর্শ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
একাডেমিক বর্ষপঞ্জী
প্রতি শিক্ষাবর্ষে সরকার নির্ধারিত ছুটিসহ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান, পরীক্ষা ও ক্লাসের সময়সূচি সম্বলিত একাডেমিক বর্ষপঞ্জী প্রকাশ করা হয়। শিক্ষাবর্ষকে বিভিন্ন পর্বে ভাগ করে বছরের প্রারম্ভে একাডেমিক বর্ষপঞ্জী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রদান করা হয়।
স্টুডেন্ট প্রোফাইল
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য, সকল পরীক্ষার ফলাফল বিবরণী, পারিবারিক ও একাডেমিক সকল তথ্যাবলী সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়।
ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক মুক্ত আলোচনা
- কোন অভিভাবক ক্লাস চলাকালীন সময়ে ক্লাসের নিকট অবস্থান করবেন না। কোন তথ্য জানার প্রয়োজন হলে ছুটির পরে স্ব-স্ব বিষয়ের শিক্ষকের সাথে সাক্ষাৎ করে জেনে নিবেন।
- এছাড়াও প্রতিমাসের শেষ সপ্তাহে যে কোন দিনে পিতামাতা স্ব-স্ব বিষয়ের শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে তাদের সন্তানদের পড়াশুনার অগ্রগতি সম্পর্কে জেনে নিবেন।
- শিক্ষার্থীর হোমওয়ার্ক, পাঠ প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ নিয়মিত যাচাই করে বিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ করা হচ্ছে।
- অভিভাবকগণ অবশ্যই সঠিক সময়ে (ক্লাস শুরুর পূর্বে) সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দিবেন এবং ছুটির ১০ মিনিটের মধ্যে সন্তানকে স্কুল থেকে নিয়ে যাবেন।
- অভিভাবকগণ অবশ্যই টিউশন ফি চলতি মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে পরিশোধ করবেন।
- প্রতি মিড-টার্ম ও ফাইনাল পরীক্ষার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয় সভার আয়োজন করে। শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি, সমস্যা ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা এবং মূল্যবান পরামর্শ প্রদানের জন্য সকল অভিভাবকের আন্তরিক উপস্থিতি কাম্য।
ডায়েরি লিখন বা ব্যক্তিগত মতামত
শিক্ষকদের সাথে অভিভাবকদের যোগাযোগের সেতুবন্ধনের মাধ্যম হিসেবে ব্যক্তিগত ডায়েরি লিখন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আচরণিক সমস্যা, পড়াশুনা শেখা না শেখা, বাড়ির কাজ সঠিকভাবে আনা না আনা, পরীক্ষার ফলাফল ও বিভিন্ন নোটিশ অবহিতকরণে এই ডায়েরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকবৃন্দের অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে প্রতিদিন ডায়েরি অনুসরণ করা।
ছুটি
এই স্কুল প্রতি শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকে। সরকারী ও অন্যান্য ঐচ্ছিক ছুটি কর্তৃপক্ষের বিবেচনা সাপেক্ষে পূর্ব নোটিশ দ্বারা জানানো হয়। যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, হরতাল বা ধর্মঘটের সময় স্কুল বন্ধ থাকবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ, হরতাল/ধর্মঘটের কারণে লেখাপড়ার বেশি ব্যাঘাত ঘটলে সপ্তাহের ছুটির দিনে অথবা অনলাইনে ‘মেক আপ ক্লাস’ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে যেদিন উপস্থিত হবে সেদিন অবশ্যই শ্রেণি শিক্ষিকার নিকট দরখাস্ত জমা দিতে হবে।