📢 নোটিশ:

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি শুরু অক্টোবর ১৫,২০২৬। ভর্তির শেষ তারিখ নভেম্বর ৩০,২০২৬ ||

প্রতিষ্ঠাতার পরিচয়

প্রতিষ্ঠাতার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ড. মোঃ আব্দুল হাকিম মন্ডল নিম নিয়ে প্রায় ৫০ বছর গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তিনি ড. নিম হাকিম হিসেবে পরিচিত।

শিক্ষা জীবনে তিনি প্রাথমিক ও জুনিয়র ব্ররতি লাভ করেন। প্রথম বিভাগে এস এস সি সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স, অস্ট্রেলিয়া থেকে পারমাকালচার গ্রাজুয়েশন এবং আমেরিকা থেকে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।।

তিনি দেশে বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত গনশিক্ষা, অনানুষ্ঠানিক, উপানুষ্ঠানিক এবং পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক মাস্টার ট্রেইনার, শিক্ষা উপকরণ উন্নয়ন গবেষক। জাতিসংঘের ‘Dacde of Education for Sustainable Development(DESD)’2005-2014 কর্মসূচীর সাথে জড়িত থেকে তিনি টেইসই উন্নয়ন বিষয়ক গবেষণা ও উপকরণ উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রেখেছেন এবং এ জন্য ভারত, থাইল্যান্ড এবং জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ গ্রহন করেছেন।।

তিনি দেশে ঔষধি উদ্ভিদের একমাত্র ‘জিন ব্যাংক’ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বৃক্ষ গবেষনা, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত, নিম নিয়ে গবেষণার জন্য Global Neem Organization(GNO) কর্তৃক ‘গ্লোবাল নিম রত্ন’ খেতাবে ভূষিত। দেশীয় শিল্প উন্নয়নে রোটারী ইন্টারন্যাশনাল এওয়ার্ড এবং শিল্পাচার্য্য স্বর্নপদক লাভ করেন। এছাড়াও তার রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অবদানের আরও অনেক স্বীকৃতি। ।

তার হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ আন্তর্জাতিক সমন্বিত ভেষজ গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র( INTERNATIONAL CENTRE FOR INTEGRATED HERBAL RESEARCH AND DEVELOMENT-ICIHRD,) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ন্যাচারোপ্যাথি এন্ড পারমাথেরাপী (INTERNATIONAL INSTITUTE OF NATUROPATHY AND PERMATERAPY-IINH) তিনি একজন গবেষক, উদ্ভাবক,পারমাকালচারিস্ট, হারবালিস্ট ও ন্যাচারোপ্যাথিক কনসাল্টেন্ট। তিনি পারমাথেরাপী নামক স্থায়ী চিকিৎসা প্রদ্ধতির জনক যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কপিরাইটপ্রাপ্ত।

ড. নিম হাকিম

প্রতিষ্ঠাতার অনুভূতির কথা

প্রাথমিক শিক্ষা লাভ হয়েছে গ্রাম অঞ্চলে।সহপাঠীদের অনেকেই মাধ্যমিক বা উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে নাই যাদের অধিকাংশই দারিদ্র্যের কারণে। মহান আল্লহ আমাকে উচ্চশিক্ষা লাভ করার সুযোগ দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন তার জন্য তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।

১.

আমি মনে করি ‘অর্থ সম্পদের যেমন যাকাত আছে জ্ঞানেরও তেমনি যাকাত আছে’ তাই আল্লাহ আমাকে যে জ্ঞান দান করেছেন তার যাকাত আদায়ের লক্ষ্যেই শান্তি মিশন ক্যাডেট একাডেমি প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টা।

২.

আমি উপলদ্ধি করি ‘একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল দেশ তার নাগরিকদের জন্য প্রদত্ত শিক্ষার গুণমান এবংসহজ লভ্যতার ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে’। শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে যদি শিক্ষা সহজ লভ্য না হয় এবং গুনমান সঠিক না থাকে তাহলে সুযোগের অভাব আর দুর্বল ভীতের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে তাই প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার ভীত মজবুত আর টেকসই করার ব্রত নিয়েই আমাদের এই উদ্যোগ।

৩.

আমার গবেষণায় পরিলক্ষিত হয়েছে যে- আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়, নৈতিক, জীবনমূখী, কর্ম বা প্রয়োগমূখীতার অভাব রয়েছে এবং সে কারণে শিক্ষার যে কোন স্তরে ঝরে পড়ে বা উচ্চশিক্ষা লাভ করেও তারা বেকার হয়ে যায় নেতিবাচক প্রভাব সমাজ ও রাষ্ট্রেও ওপর বর্তায়।সে কারণে -নৈতিক, জীবনমূখী, কর্ম বা প্রয়োগমূখী শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্যই আমাদের এই প্রয়াস।

৪.

আমার পর্যবেক্ষন হলো- গ্রামের দরিদ্র ও নিম্নবৃত্তের শিক্ষার্থীরা মেধাবিকাশের সুযোগ এবং অর্থের অভাবে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ সব শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়ার জন্য – ‘ড. নিম হাকিম ট্রাস্টে’র মাধ্যমে বৃত্তি ও বিনা সুদে উচ্চ শিক্ষা লোনের ব্যবস্থা করে সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের বাসনা।